আমাদের সাথে ঢাকা, চট্টগ্রাম আর সিলেটে ১৫০-এর বেশি কর্মী কাজ করছেন। এদের মধ্যে যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ থেকে আসা ইংরেজি ভাষার শিক্ষকরাও আছেন।

আমাদের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম, যারা এই প্রতিষ্ঠানটিকে সচল রাখতে কাজ করছেন, তাদের সম্পর্কে আরও জানুন:

অ্যান্ড্রু নিউটন, ডেপুটি ডিরেক্টর

গত এক দশক ধরেই আমি পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে বড় স্কেলের কর্মসূচি  এবং কৌশলগত হিসাব ব্যবস্থাপনার কাজে বিভিন্ন দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছি। এটা আমাকে বিভিন্ন ধরণের সংগঠনের জন্য কিংবা সাথে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে , তা সে প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিই হোক আর বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনী সংস্থাই হোক। এই অভিজ্ঞতাগুলোর মধ্যে যোগসূত্রটা হচ্ছে এমন সব মানুষদের সাথে কাজ করা যারা আপনার চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে এবং মূল্যবান ও বিশ্বাসযোগ্য অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এমন কর্মসূচির পরিকল্পনা করতে পারে যা দীর্ঘমেয়াদি হবে। আমার ক্যারিয়ারের একটা বড় অংশই ব্রিটিশ কাউন্সিলে কেটেছে যেখানে বন্ধুত্বপূর্ণ জ্ঞান বিনিময় এবং বোঝাপড়া অর্থপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারে। বাংলাদেশে আমি এই দলটির সাথে কাজ করার মাধ্যমে  শিক্ষা, সমাজ, শিল্পকলা এবং  অংশীদারদের নিয়ে আমাদের কাজের একটা বিস্তৃত ব্যপ্তি তৈরি করতে চাই। আপনি চাইলে আমার সাথে LinkedIn-এ সংযুক্ত হতে পারেন।

যুনায়েদ আহমেদ, ডেপুটি ডিরেক্টর এক্সামিনেশনস

আমি পেশাদারভাবে সেবা শিল্পের সাথে সংযুক্ত আছি প্রায় ১৪ বছর । আমার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছে বিক্রয়, বিপণন ও ক্রেতা সেবার মধ্য দিয়ে, যেখানে আমার বিশেষ গুরুত্ব ছিলো অস্থায়ী বিবরণ তালিকা। এই পরীক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলাদেশে অবস্থিত ৫টি ব্রিটিশ কাউন্সিল দপ্তরে হেড অব কাস্টমার সার্ভিস হিসেবে কাজ করেছি এবং কাস্টমার সার্ভিস দলের নেতৃত্ব দিয়েছি। ব্রিটিশ কাউন্সিলে যোগদানের আগে আমি ঢাকার একটি পাঁচ-তারকা হোটেলের সেলস অ্যান্ড রেভিন্যু ম্যানেজমেন্ট বিভাগে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছি। বর্তমানে, আমি সারাদেশ জুড়ে পরীক্ষাগুলোর ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করছি। পরীক্ষা উপ পরিচালক হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের পরীক্ষা সেবাগুলো সার্বিক সঙ্গতিশীলতা এবং দক্ষতার সাথে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা। আমরা এটারও নিশ্চয়তা বিধান করি যে  আমাদের পরীক্ষার্থী, সেবাগ্রাহী, স্কুল ও অংশীদারদের সহানুভূতিশীলতার সাথে এবং সঠিক সময়ে সঠিক সেবা দিয়েই পরিচর্যা করা হচ্ছে ।

এখানে কাজ করাটা আমার জন্য সবসময়ই অনুপ্রেরণামূলক এবং উত্তেজনার, বিশেষ করে এখানে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সকল নেটওয়ার্ক জুড়ে যে মূল্যবোধ আর আচরণ প্রকাশ করা হয়  সেজন্য।

আর্শিয়া আজিজ, ডিরেক্টর মার্কেটিং

আমার কাজ মূলত উন্নয়নমূলক খাত নিয়ে। আমার বিগত ১২ বছরের ক্যারিয়ারে আমি এমন প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করেছি যারা সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে, যারা উন্নয়নমূলক কাজের পরামর্শদাতা, শিক্ষা ক্ষেত্রে এনজিও সেবা দিয়ে থাকে। বিভিন্ন নিউ মিডিয়া এজেন্সি, মার্কেট কম্যুনিকেশনস এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাতেও আমার কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। বাংলাদেশে ইউকে-এইড এর অর্থায়নে কার্যকর হয়েছে এমন দু'টো  লার্জ-স্কেল প্রকল্পেও আমি কনসালটেন্সি সেবা দিয়েছি।

এসব ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা, সেই সাথে মিডিয়া অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট-এ এমএ এবং মার্কেটিং-এ এমবিএ আমাকে গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে উন্নয়নখাতে যোগাযোগের ক্ষেত্রসমূহ কী কী, শিক্ষাখাতে কী কী উন্নয়ন হতে পারে এবং ইংরেজি ভাষা দক্ষতার উন্নয়নে কী ধরণের কাজ করা যেতে পারে। এছাড়া আমার কাজের পরিধিতে আরও আছে শিক্ষা সেবার মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং, কর্পোরেট যোগাযোগ, গণযোগাযোগ এবং ইভেন্টস ব্যবস্থাপনা।

আমি আমার ক্যারিয়ারের একটি বড় অংশ জুড়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে কাজ করেছি। এটি ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং (ইএলটি) প্রফেসনালস, ডেভেলপমেন্ট সেক্টর এক্সপার্ট, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিষ্ট এবং এক্সাম এডমিনিস্ট্রেশন এক্সপার্টদের একটি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক।

আমাদের কাজের মাধ্যমে আমরা মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা ও তার প্রতিপালন করি এবং মানুষের জন্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করে দেই। আমরা ব্যক্তিগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে মূল্য দেই, উদ্ভাবন ও সৃষ্টিশীলতাকে অনুপ্রাণিত করি এবং ব্যক্তিগত বিকাশ সাধনের সীমাহীন সুযোগও আহ্বান করে থাকি।

তৌহিদুর রহমান, রিজিওনাল ম্যানেজার - কমনওয়েলথ স্কলারশিপ অ্যান্ড ফেলোশিপ প্রোগ্র্যাম (CSFP)

আমি বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও মরিশাসে CSFP প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করি। এছাড়াও এই প্রকল্পের সহায়ক হবে এমন  একটি দীর্ঘমেয়াদী কাঠামো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্যও কাজ করি। আমি নয় বছরের বেশি সময় যাবৎ এই কাজটি করে আসছি। আমি এর আগে একটি গ্রুপ অব কোম্পানি-তে অ্যাডমিন অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের জেনেরাল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছি। ব্যবস্থাপনার কাজ আমাকে ক্রিকেট খেলার সাথেও সম্পৃক্ত করেছে, যেখানে আমি টেস্টখেলুড়ে দেশগুলোর প্রথম সারির খেলোয়াড়দের নিয়ে তৈরি একটি দলের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছি।

আমার মনে হয় ব্রিটিশ কাউন্সিল সমাজের জন্য যেমন  পরিশ্রমের সাথে কাজ করে তেমনভাবেই তার কর্মী ও অংশীদারদের নিয়েও ভাবে । ব্রিটিশ কাউন্সিলে কাজ করার সবচেয়ে ভালো ব্যাপারটি হচ্ছে এমন একটি লক্ষ্যের অংশ হতে পারা যেখানে তারা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপনে ও আমাদের সমাজে পরিবর্তন সাধনের জন্য বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে।

আমি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনিচ থেকে আমার ব্যাচেলর্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেছি আর এমবিএ করেছি সেখানকারই কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি থেকে। আমি ঘুরতে পছন্দ করি, আমার ছবি তুলতে ভালো লাগে আর আমি সবচেয়ে ভালোবাসি, প্রকৃতি।

মোঃ কফিল হুসেইন চৌধুরী, হেড, সিলেট সেন্টার

আমি গত ১৩ বছর যাবৎ ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে কাজ করছি। আমি এখানে কাজ শুরু করেছিলাম কাস্টমার সার্ভিস অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে, তারপর আমি কাজ করেছি এক্সাম সার্ভিসেস অফিসার হিসেবে। পরবর্তীতে আমি সিলেটের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি এবং এখন আমি সিলেট দপ্তরের কেন্দ্র প্রধান হিসেবে কাজ করছি। ব্রিটিশ কাউন্সিলে প্রতিদিনই কিছু না কিছু নতুন আর চ্যালেঞ্জিং কাজ হচ্ছে।

যারা বিশ্বজুড়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের জন্য কাজ করছেন তাদের সকলের প্রতিই আমার ভালোবাসা রয়েছে, তা তারা যেখান থেকেই আসুক না কেন। এখানে সবাই খুব বন্ধুসুলভ এবং এদের সাথে কাজ করার অনুভূতিটাও আনন্দের।

আশরাফুল ইসলাম, হেড অব প্রকিউরমেন্ট

আমি এখানে ক্রয় ব্যবস্থাপনা বিভাগে কাজ করি এবং আমার এই কাজের অভিজ্ঞতা ১২ বছরের। আমি যেমন স্থানীয়ভাবে সমন্বিত দলসমূহের নেতৃত্ব দিয়েছি তেমনই বিখ্যাত গ্লোব্যাল কোম্পানিগুলোর সাথেও কাজ করেছি। আমি সেবা ও উৎপাদন দুই খাতেই  আমার ক্যারিয়ারের বিকাশ ঘটিয়েছি  যেখানে আমি সফলতার সাথে ক্রয় ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজে ভূমিকা পালন করেছি । এই কাজের বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিলো বিক্রেতা ব্যবস্থাপনা, সোর্সিং এবং নেগোসিয়েশন। ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রকিউরমেন্ট প্রধান হিসেবে যোগদান করার আগে আমি বাংলাদেশের বাজারে নেতৃস্থানীয় একটি  স্থানীয় পেইন্ট অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানির বিক্রেতা উন্নয়ন কাজের তত্ত্বাবধান করতাম। তার আগে দেশের দু'টো অগ্রজ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির সাথে সোর্সিং কাজের অভিজ্ঞতা আমাকে এমন একজন সাবধানী ক্রেতা হিসেবে তৈরি করেছে যে আগে পণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা করে নেয়। একটি আইটি সার্ভিস কোম্পানির সাথে কাজ করার মাধ্যমে আমার এই প্রকিউরমেন্ট ক্যারিয়ারের শুরুটা হয় ।

বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিল যে কাজটা করছে তার সার্বিক সঙ্গতিশীল ক্রয় ব্যবস্থাপনায় সততা, স্বচ্ছতা এবং অর্থের সঠিক মূল্য নির্ধারিত হচ্ছে কি না সেটা নিশ্চিত করাই আমার বর্তমান কাজ। আমাদের একটি গতিশীল দল আছে যারা এটাও নিশ্চিত করছে যে ক্রয় ব্যবস্থাপনামূলক কাজগুলোতে সমতা- বিভিন্নতা - অন্তভুর্ক্তি, দীর্ঘস্থায়িত্ব, শিশু সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো থাকছে কি না।

ব্রিটিশ কাউন্সিলে প্রতিটা দিনই নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে যার মাধ্যমে এই স্পন্দনশীল প্রতিষ্ঠানটির জন্য প্রতিদিনই আমরা বিগত দিনের চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত হই।

ইমরান ইউনুস, হেড অব সিকিউরিটি

আমার কাজের মূলনীতি হচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সেফটি ও সিকিউরিটি সিস্টেম উন্নয়ন করার মাধ্যমে ব্যবসা উদ্যমের সাথে হিতৈষী উদ্যমের একটি ঐকতান তৈরি করা।

আমি ২০১৬ সালের জুলাই থেকে এখানে নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে কাজ করছি। আমি বিগত দশ বছরে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের (ডিএইচএল, ওয়েস্টিন, ওয়েস্টফিল্ড, শেরাটন) অ্যাডমিন অ্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অধীনে বিভিন্ন পদে থেকে নীতি প্রনয়ন, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, PPE, প্রতিপালন, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট এসব কাজে সম্যক অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। বর্তমানে  সেসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমি ব্রিটিশ কাউন্সিলের নিরাপত্তা প্রণালীর উন্নয়ন সাধনে কাজ করছি। হলি আর্টিসান-এর ঘটনার পর আমি  রেজিওনাল সিকিউরিটি এক্সপার্টের নির্দেশনা অনুসরণ করে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়েছি  । বিদেশী কর্মীদের জন্য আমি ট্রাভেল সিকিউরিটি পলিসি চালু করেছি, আরও উন্নত সিসিটিভি এবং অগ্নি নির্বাপণ পদ্ধতি নিশ্চিত করেছি এবং যেকোনো দুর্ঘটনায় কীভাবে নিজের প্রাথমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সে ব্যাপারে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

আমি আনন্দের সাথে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করি, সেই আমার দুরদর্শী চিন্তা ও পরিস্থিতিভিত্তিক নেতৃত্ব দেয়ার কৌশল ব্রিটিশ কাউন্সিলের সফল সফরকে অব্যাহত রাখতে সাহায্য করছে।

মোস্তাফিজুর রহমান, হেড অব ফ্যাসিলিটিজ

টেকনিক্যাল অ্যান্ড সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিতে আমার প্রায় ১৪ বছরের বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা । আমি মূলত  কাজ করেছি ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি ক্ষেত্রে এবং সুবিধা ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে।  এসব ক্ষেত্রে কাজের মধ্যে থাকে কোনো কিছুর সংস্কার প্রয়োজন হলে সেই কাজটি করা, কোনো কিছুর পুনঃসংস্কার করা এবং কোনো অফিস স্থানান্তর হলে সেটার ব্যবস্থাপনা করা।  এইসব কাজ করতে গেলে এটা নিশ্চিত করতে হয় যে পরিকল্পনা এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী সব কাজ  ঠিকঠাকভাবে হচ্ছে।

এখানে, ব্রিটিশ কাউন্সিলে, আমি একটা বড় দলের নেতৃত্ব দিচ্ছি যারা এই দাপ্তরিক দালান-এর সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন। আমাকে এটা নিশ্চিত করতে হয় যে তারা স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মান অনুযায়ী কাজ করছে এবং তাদের দিয়ে কাজ করানোর ক্ষেত্রে আইনের যাবতীয় ধারাও অনুসরণ করা হচ্ছে। আমার কাজের মধ্যে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান, যে দলটি কাজ করছে তাদের ব্যবস্থাপনা, প্রহরী সেবা, কারো সাথে কাজের চুক্তি হবার পর তার ব্যবস্থাপনা, তার থাকা-খাওয়া ইত্যাদি দেখাশোনারও দায়িত্ব আছে।  ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিবেশ, এর বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক, মানুষজনের বন্ধুসুলভতা এবং প্রতিষ্ঠানটির সর্বোপরি শৃঙ্খলার জন্য আমি এখানে আমার কাজগুলো উপভোগ করি।

ব্রিটিশ কাউন্সিলে যোগদানের আগে, আমি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ও গ্যাস কোম্পানিতে কাজ করেছি, দেশের বৃহত্তম কেমিক্যাল কোম্পানিতে কাজ করেছি, এমনকি কাজ করেছি পাওয়ার প্ল্যান্টেও। বাংলাদেশের দুইটি বৃহত্তম গ্যাস প্ল্যান্টের উন্নয়নে আমি তাৎপর্যপূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল ভূমিকা পালন করেছি। নতুন অফিস গোছানো এবং নতুনভাবে কোনো অফিস স্থানান্তরের কাজেও আমি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি এবং সেসব কাজের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন দলকে নেতৃত্বও দিয়েছি। এই কাজের অভিজ্ঞতাগুলো আমাকে  বিভিন্ন ধরণের প্রতিষ্ঠানের জন্য এবং সাথে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে । আমি যেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করেছি যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান যেমন আছে তেমনি এমন প্রতিষ্ঠানও আছে যারা কেবল মানুষ নিয়েই কাজ করে।  এসব কাজের সূত্রে আমার এমনকি বিশ্বের বৃহত্তম লজিস্টিক কোম্পানিগুলোও সাথেও কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

শিক্ষাগত পটভূমি - আমি একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, আর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে আমার এমবিএ করেছি । সেই সাথে বাংলাদেশ ও দেশের বাইরে আমি একাধিক পেশাদার কোর্স সম্পন্ন করেছি।